-মুফতি জাকারিয়া মাহবুব published: ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০৮:৩০ পিএম

মহান আল্লাহর কাছে নেক হায়াত ও সুস্থতা কামনা করছি, যাতে আল্লাহ তায়ালা পুর্ণ রমজান মাসটা আমাদের কে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাধ্যমে অতিবাহিত করার তাওফিক দান করেন।
পবিত্র রমজান মাস অন্যান্য মাসের চেয়ে অত্যান্ত মর্যাদাপুর্ণ মাস। এ মাসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক। পবিত্র রমজান মাস পরস্পর সহানুভূতি ও ধৈর্যের মাস। এ মাস রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস।
এ মাসে বেশি বেশি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা, তাওবাহ-ইস্তিগফার করা অবশ্যই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এ মাসে সংক্ষিপ্ত করনীয় ও বর্জনীয় বিষয় গুলোর প্রতি গুরুত্বারোপ করা ও নৈকট্য অর্জনের মুল কাজ।
প্রথমত রমজানের চাঁদ দেখা, চাঁদ দেখে দোয়া করা। দ্বিতীয়ত -তারাবীহের নামাজ জামাতের সাথে ২০ রাকাত আদায় পড়া। তৃতীয় - রমজান মাস পবিত্র কুরআন নাজিলের মাস। এ মাসে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা। কমপক্ষে দৈনিক ১ পারা করে ১ খতম করা। বিশেষত তারাবীহ, তাহাজ্জুদ নামাজে অংশ গ্রহণ এর মাধ্যম তিলাওয়াতে শামিল থাকা খুবই ছুওয়াব এর কাজ।
চতুর্থ - নবীজির সুন্নাহ মনে করে সাহরী খাওয়া।
৫ম - সাহরীর আগে বা পরে তাহাজ্জুদ এর ৮ রাকাত নামাজ পড়া। কমপক্ষে প্রতি রাতে ২/৪ রাকাত নামাজ আদায় করা।
৬ষ্ট- প্রতিদিন রাতে বা দিনে দান-সদকা করা। গরীব অসহায় মানুষ কে ইফতার সামগ্রী, খাদ্য সামগ্রী সহ বিভিন্ন দান সদকা করা। প্রতিবেশীদের খোজ খবর রাখা।
৭ম- সুন্নত তরিকায় ইফতার করা। খাজুর, পানি, মিষ্টি দ্রব্য দ্বারা ইফতার শুরু করা। এগুলো হলো করনীয় আমল।
বর্জনীয় আমল হচ্ছে; প্রতিটি ইবাদত কবুল হাওয়ার জন্য পুর্ব শর্ত নিয়তের বিশুদ্ধতা । লৌকিকতা পরিহার করা। হালাল খাদ্য দ্বারা সাহরী এবং ইফতার করা। কোন অবস্থাতে গীবত চোখলী না করা। বিশেষকরে রোজা অবস্থায় গীবত চোগলী সম্পুর্ন নিষেধ।
উল্লেখিত আমলসমুহ নফল হলে এগুলো আদায়ের মাধ্যমে ফরজ ইবাদত পালনের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাবে। তবে কোন অবস্থায় রোজ এবং ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরিত্যাগ করা যাবে। নফল ইবাদত পালন না করতে পারলে ও ফরজ ইবাদত ত্যাগ করা যাবে না। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষা করে সবাই চলার তাওফিক দান করুন।
:: মুহাদ্দিস: আয়েশা সিদ্দিকা রাযি. টাইটেল মাদরাসা, নবীগঞ্জ